বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০১০

কাজের মেয়ে বেলি

সেদিন আমার ক্লাস ছিল না। বাবা-মা দু’জনেই অফিসে। কাজের মেয়েটি এলো, ঘরের কাজকর্ম সারলো। যাবার বেলা আমাকে জানাতে এলো- ভাইজান আমি এখন যাই।

তাকিয়ে দেখি প্রায় বউ বউ সেজে একটা মেয়ে দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। গোসল করে নতুন শাড়ি-ব্লাউজ পড়ে, গায়েমুখে রঙ মেখে রীতিমতো সেক্সি দেখাচ্ছিলো মেয়েটাকে। শাড়িটা খুলে জিন্স-টিশার্ট পড়িয়ে দিলে যে কোনো ভার্সিটি পড়া মেয়ে বলে মনে হবে। এটা আমাদের কাজের মেয়ে বেলি তো?

- তুই এমন বউ সেজে কোথায় যাচ্ছিস?
- বিয়া খাইতে যাই, আমার খালাতো বোনের বিয়ার অনুষ্ঠানে যাইতেছি।

পিঠটা ম্যাজম্যাজ করছিল। অনেক দিন পর কাল সারা বিকেল ক্রিকেট খেলেছি। হাতেপায়ে ব্যথা হয়ে গেছে। ওকে বললাম- আচ্ছা যাস, তার আগে আমাকে একটা ওষুধ এনে দিয়ে যা তো!

- কিসের ওষুধ ভাইজান?
- ব্যথার ওষুধ, হাত পা ব্যথা করতেছে; এই কাগজে লেখা আছে, এটা নিয়ে দেখালেই হবে।

টাকা আর ওষুধের নাম লেখা কাগজটা ওর হাতে দিলাম। কিন্তু নড়ার কোনো ইচ্ছা ওর মধ্যে দেখা গেল না।

- ওষুধের দোকান তো সেই অনেক দূর, যেতে আবার আসতে অনেক সময় লাগবে। তার চেয়ে আপনাকে আমি তেল গরম করে মালিশ করে দেই? খালাম্মা তো হাতে পায়ে ব্যথা হলে তেল মালিশ করতে বলে।
- আরে না, তেল মালিশে ব্যথা যায় নাকি? যত্তোসব আজগুবি চিন্তা।
- না, না। ব্যথা কমবে। না কমলে বইলেন, ওষুধ এনে দিবো।

এই গরমের মধ্যে সিড়ি ভেঙ্গে চার তলা থেকে নেমে আবার ওঠা; বাজারে গিয়ে ওষুধ নিয়ে আসা এইসব ঝামেলা করার কোনো ইচ্ছে নেই মেয়েটার। নতুন শাড়ির ভাঁজ নষ্ট আর মুখের রঙ মুছে যাওয়ার ভয়ে কোনোমতেই ওষুধের দোকানে যেতে চাইছে না সে। এর থেকে পরপুরুষের শরীর ম্যাসেজ করাটাকেই শ্রেয় বলে মনে হচ্ছে ওর। আমি ওর আদ্যপ্রান্ত পর্যবেক্ষণ করলাম। নতুন জামাকাপড়ে মন্দ লাগছিলো না মেয়েটাকে। বলা উচিৎ সেক্সি লাগছিলো। ব্যথা না কমলেও ওই সেক্সি মেয়ের হাতের ম্যাসেজের কথা ভেবে বললাম- ঠিক আছে, তবে তোর ওই তেলটেল লাগবে না; এমনিই একটু গা টিপে দিয়ে যা।

- ঠিক আছে ভাইজান, আপনি খাটে শুয়ে পড়েন আমি হাত পা টিপে দিচ্ছি।
- হাত পা টিপতে হবে না, তুই খালি আমার পিঠ আর কোমরটা একটু ম্যাসেজ করে দিয়ে যা।

শার্ট খুলে বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে পড়লাম। বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে যতোটা সম্ভব ধরি মাছ না ছুঁই পানি ভাবে ও আমার পিঠ টিপতে লাগলো। বললাম- তুই বিছানায় উঠে বস্। এভাবে কি করছিস?
ইতস্তত করে উঠে বসলো বিছানায়। কিভাবে কোথায় বসবে এইসব নানা কারিশমা করে, শেষমেষ আমার শরীরের দুপাশে দুই পা দিয়ে আধা বসা আধা দাঁড়ানো হয়ে পিঠ ম্যাসেজ করা শুরু করলো। ভাল লাগছিলো মোটামুটি, তবে সবচেয়ে আরাম পেলাম, ও যখন হঠাৎ আমার পাছার ওপরে বসে পড়লো। ব্যাপারটা ওর তরফে এক্সিডেন্ট হলেও ব্যথার জায়গাটাতে ভালো একটা ভর পেয়ে দারুন লাগলো আমার ব্যাপারটা।

-হ্যা, ওখানে এভাবে বসে থাক্ তো কিছুক্ষণ। ভালো লাগছে।

ওখানে বসেই ও আমার পিঠ মালিশ করতে লাগলো। ওর এই নড়াচড়ায় ভালো বোধ করছিলাম আমি; সেই সাথে টের পেলাম, পেটিকোটের নিচে কিছুই পড়েনি ও। আমার জিন্সের ওপর স্রেফ ওর গুদটা ঘষাঘষি হচ্ছে। শয়তান ভর করলো আমার ওপর। হাত দুটি পেছনে নিয়ে ওর পাছা খামচে ধরলাম। নাড়াতে লাগলাম জোরে জোরে। বললাম- এভাবে নাড়াচাড়া কর্ তো, এটা ভালো লাগছে।

ও যতো নড়ছে শয়তান ততোই আমাকে কুমন্ত্রণা দিয়ে যাচ্ছে। বললাম, একটু থাম্। পা দুটো একটু উচুঁ কর্ তো। ও পাছা তুলতেই আমি ঘুরে গেলাম। বললাম, একটু সামনেটাও ঘষে দে। কোমরের পুরোটাই ব্যথা হয়ে গেছে রে।

কিন্তু সামনে ঘষা শুরু করতে না করতেই ওর আপত্তি, বেল্টে লাগে। খুলে দিলাম বেল্ট। কিন্তু তা-ও নাকি লাগে। আমি ওর পাছা ধরে ওকে একটু পিছিয়ে দিলাম।
- এবার লাগে?
- না।

কিন্তু এবার ওকে যেখানে সেট করলাম, সেখানে আমার বাড়া। ও-ও বুঝলো সেটা। তাই বসলো ঠিকই, কিন্তু নড়াচড়া করছে না আর। আমিই উদ্যোগ নিলাম। ওর পাছাটা দুহাতে ধরে ডানে বামে নাড়াতে লাগলাম। শাড়ি-পেটিকোটের নিচে ওর উদোম গুদের খাঁজে জিন্সের নিচে থেকেই আমার বাড়া বেশ ভালোমতোই জায়গা করে নিচ্ছে।

- কি রে মালিশ করছিস না কেন?
- ব্যথা এখনও আছে?
- হ্যা, কাধটা একটু টিপে দে।

সুযোগ বুঝেই উঠে পড়তে গেলো ও। আমিও ওকে টেনে ধরলাম।

-আরে করিস কি? উঠিস না ওখান থেকে। ওখানে বসেই টিপে দে। দরকার হয় আমি উঠে বসি।

ওকে কোনো সুযোগ না দিয়ে উঠে গেলাম আমি। পুরো কোলের ওপর বসা আসনে এসে গেল ব্যাপারটা। ও একটু দূরে থাকতে চেয়েছিল। ম্যাসেজের সুবিধার ইঙ্গিত করে ওকে টেনে আমার বুকের সাথে লেপ্টে দিলাম। বড়ো আপেলের সাইজের ছোট ছোট দুটি মাই ব্লাউজ ফেড়ে বেরিয়ে আসার উপক্রম।

এবার আমার পালা। ওকে কোলে করে পুরো দাঁড়িয়ে গেলাম আমি খাটের ওপর। পড়ে যাবে, কি হবে, কি না হবে, এইসব ভেবে ও-ও জড়িয়ে ধরে থাকলো আমাকে। একহাতে জিন্সের বোতাম খুলে বাড়াটা বের করে সোজা ঢুকিয়ে দিলাম ওর গুদের ভেতর। পলকের মধ্যেই ওকে নিয়ে এলাম মিশনারি স্টাইলে।
- কি রে, দুধ তো বেশ ভালোই আছে, বাচ্চাকে খাওয়াতে পারবি না?
- বাচ্চা?
- হ্যা, এখন তো তোকে একটা বাচ্চা দিবো আমি। ওটাকে তো দুধ খাওয়াতে হবে তাই না?
- ভাইজান, এইটা কইরেন না। যা করছেন, তা তো করেই ফেলছেন, এখন এই সর্বনাশটা কইরেন না।
- কিছুই তো করি নাই এখনো। তবে করবো। যা যা বলবো, তা করবি কিনা বল?

ওর না করার কোনো সুযোগ ছিল না। সানন্দে রাজি হলো। বললাম- বিয়ের অনুষ্ঠানে যাবি, শাড়িটারি নষ্ট করার কোনো মানে হয় না, এইগুলা খোল্।

৩টি মন্তব্য:

  1. উত্তরগুলি